ইউরোপের অধিকাংশ দেশে আবারও বদলাতে যাচ্ছে ঘড়ির কাঁটার সময়। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী স্থানীয় সময় রাত ৩টার সময় ঘড়ি এক ঘণ্টা পিছিয়ে ২টা করা হবে। এর ফলে বাসিন্দারা অতিরিক্ত এক ঘণ্টা ঘুমের সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি সকালে দ্রুত আলো দেখতে পাবেন।
বছরে দুইবার সময় পরিবর্তনের এই প্রচলিত নিয়ম বন্ধের জন্য ২০১৯ সালেই ইউরোপীয় পার্লামেন্টে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। ইইউ-এর গণভোটে ৮৪ শতাংশ মানুষ এই প্রথা বাতিলের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মতপার্থক্যের কারণে দীর্ঘ সাত বছরেও নতুন নিয়ম চালু করা সম্ভব হয়নি।
মূল জটিলতা তৈরি হয়েছে স্থায়ী সময় নির্বাচন নিয়ে—গ্রীষ্মকালীন নাকি শীতকালীন সময় বেছে নেওয়া হবে, তা নিয়ে কোনো ঐকমত্য হয়নি। আলাদা দেশে ভিন্ন সময় চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও পরিবহন ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরবর্তীতে কোভিড মহামারি এবং ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিষয়টি ইইউ-এর অগ্রাধিকার তালিকা থেকেও পিছিয়ে যায়।
মূলত ১৯৭০-এর দশকের তেলসংকট মেটাতে শক্তি ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ফ্রান্সে এই নিয়ম চালু হয়েছিল, যা পরে ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। তবে আধুনিক ইউরোপে এই পদ্ধতির সময়োপযোগিতা ও কার্যকারিতা নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। ব্রিটেন, পর্তুগালসহ অন্যান্য দেশেও একই নিয়মে ঘড়ির কাঁটা সমন্বয় করা হচ্ছে।
চলতি সপ্তাহে ইরান হামলা? মুখ খুললেন ট্রাম্প