‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’ সম্পর্কে জান্তা প্রেসিডেন্ট

মিয়ানমার টুকরো টুকরো হতে সময় লাগবে না

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০২৩, ০৬:৩৪ পিএম

খবর সংযোগ ডেস্ক: মিয়ামারেরর বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর তাণ্ডবে আতঙ্কিত দেশটির জান্তা সরকার। সম্প্রতি মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়্যান্স আর্মি, তাঙ্গ ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এবং আরাকান আর্মি হাত মিলিয়েছে। ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’ হিসেবে পরিচিত এই তিন গোষ্ঠীর জোট।

মিয়ানমারের বিভিন্ন প্রান্তে জান্তা সরকারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে এই গোষ্ঠীর তুমুল সংঘর্ষ চলছে। অশান্তির জেরে প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালাচ্ছেন মিয়ানমারের বহু নাগরিক। সাম্প্রতি এই তিন গোষ্ঠীর জোট দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে দক্ষিণ-পূর্বের একটি বড় এলাকা দখল করে নিয়েছে। ইতোমধ্যে আরাকান আর্মি একটি প্রদেশ দখল করে নিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে জান্তা সরকারের প্রেসিডেন্ট মিন্ট সোয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই ভাবে সংঘাত বজায় থাকলে দেশ টুকরো টুকরো হয়ে যেতে সময় লাগবে না। দেশে অশান্তির জন্য ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’কে দায়ী করেছেন তিনি।

মিয়ানমারের এই পরিস্থিতিতে চীনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের অনুমান, বাণিজ্যিক কারণে জান্তা সরকারের পাশে রয়েছে চীন প্রশাসন। কিন্তু ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্সের’ এই অবস্থা বেজিংয়ের সমর্থন ছাড়াও সম্ভব নয়। 

উল্লেখ্য, এক বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে সামরিক শাসন জারি করেছিল দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর সেখানে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় বিদ্রোহ। সূত্র: দ্য ইকনোমিক টাইমস, ফাস্টপোস্ট।

SN
আরও পড়ুন