মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম এবারও শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের আলোচনায় থাকলেও তাঁর জয়ের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিজয়ী নির্বাচনে নোবেল কমিটির ওপর তাঁর প্রভাব ও চাপের ছায়া স্পষ্ট থাকবে।
গত বছর মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে পুরস্কৃত করার পর তিনি সেই পদক ট্রাম্পকে উপহার দিয়েছিলেন, যা ১২৫ বছরের ইতিহাসে নজিরবিহীন। এবার তাই এমন কাউকে বেছে নেওয়া হবে, যিনি ট্রাম্পের রাজনৈতিক চাপ সামলাতে সক্ষম হবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরস্কার প্রাপ্তদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এখন নোবেল কমিটির অন্যতম বড় ভাবনার বিষয়। রাজনৈতিক উত্তাপ এড়িয়ে নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই অসলোর জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য বিজয়ীদের তালিকায় এগিয়ে আছেন পোপ লিউ, আইসিসি, আইসিজে এবং জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ফ্রাঞ্চেস্কা আলবানিজ। যুদ্ধবিরোধী অবস্থান, এআই ও মানবাধিকার নিয়ে পোপের ভূমিকা তাকে বেশ এগিয়ে রেখেছে।
অন্যদের মধ্যে সুদানের স্থানীয় ত্রাণ সংস্থা 'ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস' এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা 'সেভ দ্য চিলড্রেন'-এর নামও আলোচনায় রয়েছে। সংঘাতপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে নিরাপদ কোনো সংস্থাকে বেছে নেওয়ার গুঞ্জনও কম নয়।
কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানে সামরিক অভিযানের পর তাঁর নোবেল পাওয়ার পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্বজুড়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নোবেল কমিটির ওপরও বিশেষ নজর রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স।
মির্জাপুরে রাতের আঁধারে দুর্গামন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর
ইবিতে পরীক্ষার খাতা উধাও, পাঁচ মাস ধরে আটকে আছে ফল