নতুন করে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন-রকেট হামলা ইরানের

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম

ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান ও তাদের মিত্র ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’। এই অভিযানে ৩ শতাধিক ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

বুধবার (১ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শেষ দফার এই অভিযানে অন্তত ১০০টি ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন এবং ২০০টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল বাহরাইনে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং কুয়েতের ‘আল-আদিরি’ ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন হেলিকপ্টার ইউনিট। তেহরানের দাবি, কুয়েতের ওই ঘাঁটিতে চালানো হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক হেলিকপ্টার পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইরানের পাশাপাশি দক্ষিণ ইসরায়েলে তৃতীয় দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। 

বুধবার সকালে এই হামলার দায় স্বীকার করে গোষ্ঠীটি জানায়, ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় করে এই অভিযান চালানো হয়েছে। হুতিদের দাবি, ফিলিস্তিন ও ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদেই তাদের এই ধারাবাহিক আক্রমণ।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে দেওয়া এক বার্তায় আইআরজিসি স্পষ্ট করেছে যে, শত্রুপক্ষকে পুরোপুরি পর্যুদস্ত না করা পর্যন্ত এই অভিযান ‘পূর্ণ শক্তি’ নিয়ে অব্যাহত রাখা হবে। 

এই ব্যাপক হামলার পর ইসরায়েল ও সংশ্লিষ্ট উপসাগরীয় দেশগুলোতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ওয়াশিংটন বা তেল আবিবের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখন কেবল নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং একটি ভয়াবহ আন্তর্জাতিক রূপ নিচ্ছে। 

FJ
আরও পড়ুন