নির্বাচনী সভায় কুরআনের যে আয়াত উদ্ধৃত করলেন বিল ক্লিনটন

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ এএম

মুসলমানদের ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হেয়প্রতিপন্ন করার প্রবণতার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। ফ্লোরিডার একটি উপাসনালয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি পবিত্র কুরআনের একটি আয়াতের মর্মার্থ তুলে ধরেন এবং মুসলমানদের প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।

ক্লিনটন বলেন, “মুসলমান হওয়ার কারণে মানুষকে হেয় করা হচ্ছে—এটা দেখে আমি ক্লান্ত।” তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিদ্বেষ ছড়ানোর বিরোধিতা উঠে আসে।

বক্তব্যে ক্লিনটন স্মরণ করেন, তাঁর মেয়ে চেলসি ক্লিনটন তাঁকে কুরআনের একটি আয়াতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। আয়াতটি সূরা আল-হুজুরাতের ১৩ নম্বর আয়াতের সঙ্গে সম্পর্কিত।

এই আয়াতের মূল বক্তব্য হলো, আল্লাহ মানুষকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছেন, যাতে তারা পরস্পরকে চিনতে পারে। মানুষের মর্যাদার মাপকাঠি হিসেবে আয়াতটিতে তাকওয়া বা আল্লাহ-সচেতনতার কথা বলা হয়েছে।

ক্লিনটনের বক্তব্যে এই বার্তাটিই গুরুত্ব পায়—মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পার্থক্যকে বিদ্বেষের কারণ না বানিয়ে পারস্পরিক পরিচয় ও বোঝাপড়ার সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত।

ক্লিনটনের বক্তব্যের মূল সুর ছিল, কোনো ধর্মের অনুসারী কিছু মানুষের কর্মকাণ্ডের জন্য পুরো সম্প্রদায়কে দায়ী করা উচিত নয়। মুসলমানদের ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হেয় করা বা তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ছড়ানোর বিরোধিতা করেন তিনি।

বক্তব্যটি যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিদ্বেষ ও ধর্মীয় সহনশীলতা নিয়ে চলমান আলোচনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্ব পেয়েছে। তবে কুরআনের আয়াতের যে বক্তব্য প্রচারিত হয়েছে, সেটিকে হুবহু অনুবাদ না বলে আয়াতটির মর্মার্থ হিসেবে উপস্থাপন করাই যথাযথ।

এমএজেড
আরও পড়ুন