রুশপন্থী ধারাভাষ্যকার জেনিয়া ফিওদোরোভার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ইইউ-র সরকারি গেজেটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়। গত আগস্টে ‘রুশপন্থী বয়ান’ ছড়ানোর অভিযোগে ফ্রান্স থেকে বহিষ্কৃত হন এই সাবেক সাংবাদিক।
রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যম আরটি-র ফরাসি সংস্করণের সাবেক পরিচালক ফিওদোরোভা আগে থেকেই ফ্রান্সে প্রবেশে নিষিদ্ধ ছিলেন, মস্কোপন্থী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সে আরটি নিষিদ্ধ হয়ে যায়।
সাতাশ জাতির এই জোটের তালিকাভুক্তিতে বলা হয়, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ফ্রান্স ও গোটা ইউরোপীয় ইউনিয়নজুড়ে রুশপন্থী বয়ান ছড়ানোর কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এই রুশ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও আরটি ফ্রান্সের সাবেক শীর্ষ নির্বাহী।
৪৫ বছর বয়সী ফিওদোরোভা এক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল হেরে যাওয়ার পর আগস্টে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্স থেকে বহিষ্কৃত হন। ক্রেমলিনপন্থী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
এ প্রসঙ্গে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো অনলাইনে লেখেন, ‘ফ্রান্স, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতোই, আমাদের ভূখণ্ডে রাশিয়ার অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী তৎপরতা রুখে দেওয়া অব্যাহত রাখবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ-যারা মনে করে দায়মুক্তির সঙ্গে আমাদের গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক কার্যক্রম চালানো যাবে, তাদের এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।’
ফ্রান্স থেকে বহিষ্কারের পর ফিওদোরোভা ফরাসি রক্ষণশীল ধনকুবের ভিনসেন্ট বোলোরের মালিকানাধীন গণমাধ্যম গোষ্ঠীর বিভিন্ন সম্প্রচার চ্যানেলে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ শুরু করেন। এর মধ্যে রয়েছে সিনিউজ চ্যানেল, যাকে প্রায়ই ফ্রান্সের নিজস্ব সংস্করণের ‘ফক্স নিউজ’ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে।
নিজের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগকে ‘সেন্সরশিপ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ফিওদোরোভা। তাঁর দাবি, বহিষ্কারের আদেশ কার্যকর হওয়ার সময় তিনি ছুটি কাটাতে ফ্রান্সের বাইরে অবস্থান করছিলেন।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪
জাতিসংঘে ট্রাম্পের দেখা পাচ্ছেন না নেতানিয়াহু
ভাষণে জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
চীন থেকে ইরানে গেছে ১৩'শ চালান অস্ত্রের যন্ত্রাংশ