ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ সময়ের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের পর কোনো নির্বাচনে সকাল ১০টা পর্যন্ত এটিই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি।
তরুণ ভোটারদের প্রত্যাশা
ইহুদি টেলিগ্রাফিক এজেন্সির প্রতিবেদনে প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া তরুণদের মধ্যেও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা উঠে এসেছে। ১৮ বছর বয়সী ইয়ায়েল চেরনিভস্কি বলেছেন, তিনি দেশের ভবিষ্যৎ বদলানোর আশায় ভোট দিতে চান। তাঁর সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছে দীর্ঘদিনের একই ধরনের সরকার, যুদ্ধের স্থায়িত্ব এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত।
তবে সব তরুণের অবস্থান এক নয়। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কারও কাছে জাতীয় নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আবার কেউ জীবনযাত্রার ব্যয়, উচ্চশিক্ষার খরচ এবং সামরিক সেবার বাধ্যবাধকতা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের তথ্য উদ্ধৃত করে জেটিএ জানিয়েছে, ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী আনুমানিক ৬ লাখ ৪০ হাজার ভোটার এবার প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার যোগ্য। ভোটে তাঁদের অংশগ্রহণ নির্বাচনী ফলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
'ইহুদি আধিপত্যবাদী কাঠামোতে পরিচালিত হচ্ছে ইসরায়েলের রাজনীতি'