দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টাকালে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগে এক যুবককে মারধর করেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোটকেন্দ্রে ভোটার, প্রার্থী বা এজেন্ট না হওয়া সত্ত্বেও এক নারী প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। একই সময়ে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত বা ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করার সন্দেহে এক যুবককে ধরে গণপিটুনি দেয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাৎক্ষণিকভাবে আটক নারী ও মারধরের শিকার যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এর আগে, নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা পর সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ৩৮টি এবং হল সংসদের জন্য ১টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হচ্ছে। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ৬টি ডিজিটাল ওএমআর (OMR) মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে আজ ৬ জানুয়ারি নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ এবং বামপন্থী প্যানেলসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জকসু নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ছাত্রদল-শিবিরের
