ভোটে হারলেও সংসদে যেতে পারেন নাসীরুদ্দীন

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০০ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে মাত্র ৫ হাজার ২০৯ ভোটের ব্যবধানে হেরেও রাজনীতির ময়দানে এখন আলোচনায় পরিণত হয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। রাজপথের আলোচিত এই মুখ নির্বাচনি লড়াইয়ে মির্জা আব্বাসের মতো বর্ষীয়ান নেতার সঙ্গে সমানে সমান পাল্লা দিয়ে দেশজুড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। 

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেও, ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই মুখ্য সমন্বয়ক। তবে নির্বাচনি ময়দানে এই পরাজয়ই তার সংসদ যাত্রার শেষ নয়, বরং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে তার সামনে খুলে গেছে একাধিক সম্ভাবনার দুয়ার। 

‘জুলাই সনদ’ ও বর্তমান গণভোটের নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে একটি উচ্চকক্ষ বা সিনেট গঠিত হতে যাচ্ছে। ১০০ সদস্যের এই উচ্চকক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হারের ভিত্তিতে সদস্য মনোনীত করার বিধান রাখা হয়েছে। 

নির্বাচন কমিশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এনসিপি এবারের নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সারা দেশে মোট ২২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৩১ ভোট সংগ্রহ করেছে। এটি মোট সংগৃহীত ভোটের প্রায় ৩ দশমিক ২১ শতাংশ। এই গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী উচ্চকক্ষে এনসিপির অন্তত ৩টি আসন পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 

এনসিপির দলীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, উচ্চকক্ষের জন্য সম্ভাব্য তিন সদস্যের তালিকায় সবার ওপরে নাম রয়েছে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর। যেহেতু তিনি দলের প্রধান মুখ এবং ঢাকা-৮ আসনে বড় জনসমর্থন পেয়েছেন, তাই তাকে নীতিনির্ধারণী উচ্চকক্ষে পাঠানোর বিষয়ে দলে এক ধরণের ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। 

এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা গণমাধ্যমকে বলেন, উচ্চকক্ষে মনোনয়নের বিষয়ে জোট ও দলের ভেতরে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা চলছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করা হবে। তবে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তরুণ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

SN
আরও পড়ুন