গাজা পুনর্গঠনে ৫০০ কোটি ডলারের সহায়তা দেবে ‘বোর্ড অব পিস’

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫০ এএম

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন ও মানবিক সহায়তায় বড় পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর সদস্য দেশগুলো গাজার জন্য ৫০০ কোটি ডলারের (৫ বিলিয়ন) বেশি অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিতে যাচ্ছে।

আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে নবগঠিত এই বোর্ডের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই এই বিশাল অংকের অর্থ সহায়তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর আগে গত জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডে বোর্ড অব পিসের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেছিলেন তিনি।

স্থানীয় সময় রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যালে' দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘বোর্ড অব পিস ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থায় পরিণত হতে যাচ্ছে। এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের।’ তবে কোন কোন দেশ এই তহবিলে অর্থ দিচ্ছে বা গাজার স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাহিনী পাঠাবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ট্রাম্পের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো গাজার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সেখানে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ এবং বাসিন্দাদের জরুরি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা।

এদিকে পুনর্গঠনের আলোচনা চললেও গাজায় থামছে না সংঘাত। ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই রোববার গাজার বিভিন্ন স্থানে বিমান ও স্থল হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। 

স্থানীয় চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্যমতে, এসব হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, হামাস যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় তারা ‘সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা চালিয়েছে। তবে হামাস এই ঘটনাকে বাস্তুচ্যুত মানুষের ওপর ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

অন্য এক ঘটনায়, অধিকৃত পশ্চিম তীরের বড় একটি অংশকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে নিবন্ধনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে ইসরাইল সরকার। কট্টরপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ, বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দখলকৃত ভূমিতে কোনো স্থাপনা নির্মাণ বা ভূমি বাজেয়াপ্ত করা অবৈধ হলেও ইসরায়েল এই সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছে, যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হামাস ও আন্তর্জাতিক মহল।

DR/SN
আরও পড়ুন