প্রতিশোধ নেওয়া ইরানের বৈধ অধিকার: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়াকে ইরানের ‘দায়িত্ব ও বৈধ অধিকার’ বলে ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এই ঘোষণার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত অন্তত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় একযোগে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

রোববার (১ মার্চ) এক শোকবার্তায় প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আয়াতুল্লাহ খামেনি ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের হত্যার এই ঐতিহাসিক অপরাধের আদেশদাতা ও অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব। ইরান তার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে এই প্রতিশোধ গ্রহণ করবে।’

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শনিবারের হত্যাকাণ্ডের পাল্টা জবাব হিসেবে আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির দাবি, তাদের সুনির্দিষ্ট নিশানায় মার্কিন ঘাঁটিগুলো লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।

মার্কিন ঘাঁটির পাশাপাশি ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান। আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলের ‘তেল নফ’ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তর ‘হাকিরিয়া’ এবং একটি বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সে কয়েকশ’ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, এই হামলা কেবল সূচনামাত্র। তারা পর্যায়ক্রমে অত্যন্ত কঠোর ও ভিন্নধর্মী পদক্ষেপের মাধ্যমে আরও বড় ধরনের প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। 

উল্লেখ্য, গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় তেহরানে নিজ কার্যালয়ে নিহত হন খামেনি। এই ঘটনার পর থেকে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক অনিয়ন্ত্রিত যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

FJ
আরও পড়ুন