ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী–এর মৃত্যুতে আনুষ্ঠানিকভাবে সমবেদনা জানিয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি দিল্লিতে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং শোক বইতে স্বাক্ষর করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ দিল্লির অবস্থানে একটি সূক্ষ্ম পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। কারণ, খামেনির মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার প্রকাশ্য নিন্দা করেনি ভারত এবং বিরোধী দলগুলোর তীব্র দাবির মুখেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত ছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন বলে জানা যায়। এই হামলার পর পশ্চিম এশিয়াজুড়ে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে এবং অঞ্চলটি সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যায়।
ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বিক্রম মিসরি ইরান দূতাবাসে গিয়ে শোক বইতে স্বাক্ষর করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ভারত সবসময় এ ধরনের বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে সংলাপ ও কূটনীতির পথকেই সমর্থন করে।
ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ইরানের সঙ্গে নয়াদিল্লির দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে হামলার নিন্দা জানানোর দাবি জানিয়েছিল। একসময় ভারত তার মোট তেল আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ ইরান থেকে সংগ্রহ করত এবং দুই দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়ে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর সেই বাণিজ্য ব্যাপকভাবে কমে যায়।
সূত্র: এনডিটিভি
ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি
ইরাকে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা
