ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত আজ সপ্তম দিনে পা দিল। এই যুদ্ধের জেরে বর্তমানে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে নৌ-বাণিজ্যিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এই পথ দিয়ে নিজেদের তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজগুলোর ‘নিরাপদ যাতায়াত’ নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে চীন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এবং বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়। যুদ্ধের কারণে বর্তমানে এই জলপথের প্রবেশমুখে শত শত বাণিজ্যিক জাহাজ আটকা পড়ে আছে। ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে।
রয়টার্স এবং ব্লুমবার্গের শিপ-ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, একটি চীনা তেলের ট্যাঙ্কার বৃহস্পতিবার সফলভাবে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে বলে জানা গেছে। তবে বিবিসি এই তথ্যটি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, বেইজিং ও তেহরানের মধ্যকার আলোচনার প্রেক্ষিতেই চীনা পতাকাবাহী জাহাজগুলো এই বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে।
চীন ইরানের অপরিশোধিত তেলের অন্যতম প্রধান আমদানিকারক দেশ। শুরু থেকেই চীন ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে বেইজিং তার কূটনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ইরানের কাছ থেকে এই ‘সেফ প্যাসেজ’ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
ইরানে হামলার বিরুদ্ধে চীন-রাশিয়ার কূটনৈতিক প্রতিবাদ
