মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানে ইতোমধ্যেই ‘সরকার পরিবর্তন’ বা ‘রেজিম চেঞ্জ’ সম্পন্ন হয়েছে। তা মতে, ইরানের আগের কট্টরপন্থী শাসকরা মার্কিন হামলায় নিহত হওয়ার মাধ্যমেই এই পরিবর্তন নিশ্চিত হয়েছে।
সম্প্রতি প্রেসিডেন্টর বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। খবর রয়টার্সের।
ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা বলতেই পারেন যে আমরা ইরানে সরকার পরিবর্তন করতে পেরেছি। কারণ আগের সেই শাসকগোষ্ঠী এখন পুরোপুরি ধ্বংস এবং নিশ্চিহ্ন। তারা সবাই এখন মৃত। তাদের পরে যারা দায়িত্ব নিয়েছিল, তারাও প্রায় শেষ। এখন আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন একদল মানুষের (তৃতীয় স্তর) সঙ্গে কথা বলছি, যাদের সঙ্গে আগে কেউ কাজ করেনি। স্পষ্ট করে বললে, নতুন এই মানুষগুলো বেশ যৌক্তিক।’
ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় ও সামরিক নেতৃত্বের বড় একটি অংশকে ‘অশুভ’ (Evil) আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘অল্প কয়েকজন ছাড়া আগের প্রশাসনের আর কেউই অবশিষ্ট নেই।’
ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কোনো শান্তি চুক্তি হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি তাদের সঙ্গে আমাদের একটি চুক্তি হবে। আমি এ ব্যাপারে অনেকটা নিশ্চিত। তবে না-ও হতে পারে।’
ইরানের প্রতি নিজের চিরচেনা কঠোর মনোভাব প্রকাশ করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইরানের ক্ষেত্রে আপনি কখনোই নিশ্চিত হতে পারবেন না। কারণ আমরা তাদের সঙ্গে একদিকে আলোচনা করি, আবার অন্যদিকে তাদের উড়িয়ে দিতে হয়।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং অন্যান্য শীর্ষ কমান্ডারদের হত্যার পর ট্রাম্প প্রশাসন এখন ইরানে ওয়াশিংটনের অনুগত বা নমনীয় একটি সরকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। ট্রাম্পের এই বক্তব্য সেই পরিকল্পনারই একটি অংশ।
সূএ: রয়টার্স
পরমাণু অস্ত্র না ছাড়লে ইরানের অস্তিত্ব থাকবে না: ট্রাম্প
