যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত কয়েক সপ্তাহে ইরানজুড়ে চালানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় দেশটির অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে। ইরানি রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার আবাসিক ঘরবাড়ি ও বাণিজ্যিক ইউনিট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই বিশালসংখ্যক স্থাপনার পাশাপাশি অন্তত ৩১৬টি স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র এবং জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস (ইএমএস) স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছে। এ ছাড়া ৭৬৩টি স্কুল এবং রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব ১৮টি কেন্দ্রেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা ৬৯৩টি তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্নিফার ডগ বা ঘ্রাণগ্রাহী কুকুর ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা অসংখ্য মরদেহ এবং আহত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে সহায়তা করেছে।
তবে এই বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান সিএনএন স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি।
এদিকে, এই যুদ্ধের প্রভাব কেবল ইরানের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই। ইরানের পক্ষ থেকে চালানো পাল্টা মিসাইল ও ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর, জ্বালানি স্থাপনা এবং আবাসিক এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উভয়পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষের জীবন ও অবকাঠামো এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
ওদিকে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিপুলসংখ্যক বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোয় মানবিক বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন
স্যাটেলাইট চিত্রে সৌদি ঘাঁটিতে ধ্বংস হওয়া মার্কিন নজরদারি বিমানের ছবি প্রকাশ
২৪ ঘণ্টায় মার্কিন ঘাঁটিতে ২৩ হামলা
