যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জাহাজ আটকের ঘটনায় চীনের উদ্বেগ

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম

ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা শুরুর আগ মুহূর্তে ওমান উপসাগরে একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ ‘জোরপূর্বক আটক’ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন। অন্যদিকে, ইরান এই পদক্ষেপকে ‘মার্কিন সামরিক বাহিনীর সশস্ত্র জলদস্যুতা’ আখ্যা দিয়ে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। 

সোমবার (২০ এপ্রিল) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল। এখন যেহেতু শান্তির একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাই আমাদের উচিত যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ শেষ করার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা।’ তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

এর আগে গত রোববার (১৯ এপ্রিল) ওমান উপসাগরে ‘তুসকা’ (Tuska) নামের ইরানের পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে দাবি করেন, জাহাজটি মার্কিন নৌ-অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করায় সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় এবং পরে আটক করা হয়।

ইরানের সামরিক বাহিনীর দাবি, জাহাজটি চীন থেকে পণ্য নিয়ে ফিরছিল। ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট-কর্নেল ইব্রাহিম জুলফাগারি এই অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘ যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালিয়ে এবং সন্ত্রাসী মেরিন সেনা নামিয়ে আন্তর্জাতিক নৌ-আইন ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। এটি স্পষ্টতই সামুদ্রিক জলদস্যুতা।’

জুলফাগারি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী খুব দ্রুত মার্কিন সেনাবাহিনীর এই সশস্ত্র দস্যুতা ও প্রতিশোধমূলক হামলার যোগ্য জবাব দেবে।’ সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা

FJ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত