আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানি করতে না পারলেও ইরান তার উৎপাদিত সম্পূর্ণ তেল নিজেদের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনেই ব্যবহার করতে সক্ষম বলে দাবি করেছে বিশেষায়িত জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ট্যাংকার ট্র্যাকার ডটকম (TankerTrackers.com)।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে, বর্তমানে প্রচারণা চালানো হচ্ছে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধের ফলে ইরানের তেলের মজুদ খুব দ্রুত পূর্ণ হয়ে যাবে এবং এর ফলে তারা উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হবে তা সম্পূর্ণ ভুল।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ইরান তার বর্তমান উৎপাদিত তেলের পুরো অংশটিই দেশের ভেতরে রিফাইন বা শোধন করে অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য কাজে লাগাতে পারে। তথ্যানুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যখন ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল, তখন দেশটি তাদের দৈনিক তেল উৎপাদন কমিয়ে প্রায় ২০ লাখ (২ মিলিয়ন) ব্যারেলের নিচে নামিয়ে এনেছিল।
ট্যাঙ্কার ট্র্যাকারস বলছে, ইরান যদি বর্তমান পরিস্থিতিতেও একই পরিমাণ তেল উৎপাদন অব্যাহত রাখে, তবে সেই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি শোধন করে নিজেদের ঘরোয়া চাহিদা মেটানো সম্ভব। ফলে মার্কিন অবরোধের কারণে ইরানের তেল খনিগুলো বন্ধ হয়ে যাবে বা তেলের মজুদ উপচে পড়বে এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের এই সক্ষমতা দেশটির অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদী অবরোধের মুখে টিকে থাকতে সহায়তা করবে। সূত্র: আলজাজিরা
হরমুজ প্রণালির নতুন সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ এলাকা ঘোষণা ইরানের