যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবাননের সঙ্গে সম্পাদিত নতুন চুক্তিকে ইসরায়েলের জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
দেশটির টেলিভিশনে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে তিনি বলেন, সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে আমরা ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি অর্জন করেছি। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও হিজবুল্লাহ বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।
ওয়াশিংটনে তীব্র কূটনৈতিক আলোচনার পর ইসরায়েল ও লেবানন একটি ‘কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক)’ চুক্তিতে সই করে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই চুক্তিকে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার একটি মজবুত ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ওয়াশিংটনের আশঙ্কা ছিল, ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত অব্যাহত থাকলে ইরানের সঙ্গে হওয়া বৃহত্তর শান্তি সমঝোতা বাধাগ্রস্ত হতে পারে, যেখানে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সংঘর্ষ বন্ধের অঙ্গীকার রয়েছে।
তবে চুক্তি সই হলেও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি শান্ত হয়নি। গত ২৬ জুনের এই চুক্তিতে হিজবুল্লাহ সরাসরি অংশ নেয়নি। ফলে দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে তারা তাদের সশস্ত্র যোদ্ধা সরিয়ে নেবে কি না, তা নিয়ে এখনো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে সীমিত আকারে সংঘাত চলছে। বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি কোনোমতে কার্যকর থাকলেও সীমান্ত এলাকার উত্তেজনা এখনো পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
বাহরাইন ইস্যুতে ইরানকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বললো জিসিসি