টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: বর্ষা শুরুর আগেই টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যমুনা নদীতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে অনেক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গনরোধে নদীতে বুধবার (১৪ জুন) জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে।

প্রতিবছর টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভাঙ্গনে শত শত ঘরবাড়ি যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বিশেষ করে কয়েকটি ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে সলিমাবাদ ইউনিয়নের পাইস্কা মাইঝাইল, খাস ঘুনিপাড়া, চর সলিমাবাদ ও ভূতের মোড়, ভারড়া ইউনিয়নের শাহজানী, মারমা ও উলাডাব এবং দপ্তিয়র ইউনিয়নের নিশ্চিতপুর, কাটি নিশ্চিতপুর ও বাক কাটারি।

সলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহীদুল ইসলাম অপু বলেন, প্রায় পাঁচ বছর ধরে সলিবাদে যমুনার ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত চার শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীতে চলে গেছে। সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিলীনের পথে। পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
এবিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ভাঙ্গন রোধে ৩০০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। বন্যাকালীন সময়ে স্থায়ীভাবে কোন সমাধান করা যাবে না। পার্শ্ববর্তী এলাকায় সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে প্রকল্প চলমান আছে। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান করার পরিকল্পনা রয়েছে।

