কীটনাশকেও কমছে না ডেঙ্গু, ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসায় দেরি নিয়ে উদ্বেগ

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ এএম

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রতি বছর বিপুল অর্থ ব্যয়, মশা নিধনে ওষুধ ছিটানো এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো হলেও বাংলাদেশে রোগটির বিস্তার ঠেকানো কঠিন হয়ে উঠছে। চলতি বছরও আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে—সমস্যাটি কি শুধু এডিস মশার বিস্তারে, নাকি মশা নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি, নজরদারি, কীটনাশকের কার্যকারিতা এবং চিকিৎসা নিতে দেরির মধ্যেও বড় ঘাটতি রয়েছে?

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু ড্যাশবোর্ড অনুযায়ী, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলতি বছরে ৭৫ হাজার ৭৩০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ২৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধু ২৮ সেপ্টেম্বরের আগের ২৪ ঘণ্টাতেই ৪ হাজার ১৯৪ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি এবং আটজনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুর্বলতার একটি হলো আক্রান্ত হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রবণতা। অর্থাৎ রোগী বাড়ার পর মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান বা অন্যান্য কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে; অথচ কোথায় এডিসের প্রজনন বেশি, কোন এলাকায় রোগী বাড়ছে এবং কোন পদ্ধতিতে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যকর হচ্ছেএসব তথ্যের ভিত্তিতে বছরজুড়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘাটতি রয়েছে।

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছে, গত ১১ বছরে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন মশা নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৮২৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ব্যয় প্রায় ৫৪৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রায় ২৭৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। চলতি বছরও দুই সিটি করপোরেশনের বাজেটে মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য যথাক্রমে ১৪২ কোটি ও ৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।

তারপরও ডেঙ্গুর বিস্তার বন্ধ হয়নি। এর একটি কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং বা রাসায়নিক ছিটিয়ে পূর্ণাঙ্গ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। কারণ এডিস মশা সাধারণত মানুষের বসতবাড়ির কাছাকাছি ছোট ছোট পানির পাত্র, ড্রাম, বালতি, নির্মাণাধীন ভবন, গাড়ি পার্কিংয়ের নিচে জমে থাকা পানি কিংবা অন্যান্য কৃত্রিম জলাধারে বংশবিস্তার করে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক জরিপের বরাত দিয়ে দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছে, ঢাকায় এডিসের প্রজননস্থলের বড় একটি অংশ কয়েকটি নির্দিষ্ট ধরনের জায়গায় কেন্দ্রীভূত। এর মধ্যে বেসমেন্ট ও গাড়ি পার্কিং, পানি রাখার ড্রাম-বালতি এবং পানির মিটারের আশপাশ উল্লেখযোগ্য। এসব জায়গার অনেকগুলোই সিটি করপোরেশনের কর্মীদের জন্য সহজে প্রবেশযোগ্য নয়।

ফলে রাস্তার পাশে নিয়মিত ফগিং হলেও একটি ভবনের বেসমেন্ট, ছাদ, বাড়ির ভেতরের পানির পাত্র কিংবা নির্মাণস্থলে জমে থাকা পানিতে এডিসের প্রজনন চলতে পারে।

ফগিং মূলত পূর্ণবয়স্ক মশা কমানোর একটি পদ্ধতি। কিন্তু এডিসের ডিম ও লার্ভা ধ্বংস না করলে নতুন মশার জন্ম বন্ধ হয় না। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ধোঁয়া ছড়ানোর ওপর নির্ভর না করে কোথায় প্রজননস্থল তৈরি হচ্ছে তা চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু কীটনাশক ব্যবহারের বদলে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, পানির পাত্র নিয়মিত খালি ও পরিষ্কার করা, বর্জ্য অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। একই সঙ্গে এডিস মশার কীটনাশক-প্রতিরোধক্ষমতা পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় নতুন প্রশ্নগুলোর একটি হলো ব্যবহৃত কীটনাশক আদৌ কতটা কার্যকর।

আগস্টে প্রকাশিত একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ও চট্টগ্রামে এডিস মশার ওপর ছয়টি কীটনাশক পরীক্ষা করে পাঁচটির বিরুদ্ধেই প্রতিরোধক্ষমতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। গবেষণাটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে জাপানের ইনস্টিটিউট অব হেলথ সিকিউরিটির গবেষকদের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। পরীক্ষায় কিছু কীটনাশকের মাত্রা ১০ গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর পরও সর্বোচ্চ ৮৪ শতাংশ মশা বেঁচে থাকার তথ্য পাওয়া যায়। গবেষকেরা কীটনাশক প্রতিরোধক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি জিনগত পরিবর্তনেরও সন্ধান পেয়েছেন।

এই ফলাফল মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। কারণ কোনো এলাকায় যে কীটনাশক বছরের পর বছর ব্যবহার করা হচ্ছে, এডিস মশা যদি ধীরে ধীরে সেটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষম হয়ে ওঠে, তাহলে একই রাসায়নিক বারবার প্রয়োগ করেও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া কঠিন হতে পারে।

অর্থাৎ শুধু ‘কত লিটার কীটনাশক ছিটানো হয়েছে’—এই হিসাব দিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণের সাফল্য মাপা যথেষ্ট নয়। বরং কোন এলাকায় কোন কীটনাশক কতটা কার্যকর, মশার মধ্যে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়েছে কি না এবং প্রয়োজনে কীটনাশক পরিবর্তন করা হচ্ছে কি না, এসব তথ্য নিয়মিত মূল্যায়ন প্রয়োজন।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত মশা জরিপ। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০২৪ সাল পর্যন্ত বছরে তিনবার- বর্ষার আগে, বর্ষাকালে ও বর্ষার পরে—এডিসের লার্ভা নিয়ে জরিপ করত। কিন্তু পরবর্তী সময়ে অর্থায়ন-সংক্রান্ত সমস্যায় নিয়মিত জাতীয় পর্যায়ের জরিপ কার্যক্রমে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোথায় মশার ঘনত্ব বাড়ছে এবং কোন ধরনের প্রজননস্থল বেশি হচ্ছে—এই তথ্য ছাড়া মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অনেকটাই অনুমাননির্ভর হয়ে পড়ে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক বাংলাদেশবিষয়ক আলোচনাতেও নজরদারি, ঝুঁকি যোগাযোগ, সামাজিক অংশগ্রহণ, মশা নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক চিকিৎসাকে একই সঙ্গে পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি বিশেষভাবে প্লাস্টিক বর্জ্য ও শহরের দুর্গম এলাকায় এডিসের প্রজননস্থল কমানো এবং তথ্যনির্ভর নজরদারি জোরদারের কথা বলেছে।

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রোগী হাসপাতালে আসতে দেরি করা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০২৫ সালের একটি ডেঙ্গু প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছিল, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে অনেক রোগী গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আসায় জটিলতা বাড়ে বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছিলেন।

সাম্প্রতিক একটি বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনাতেও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় এখনো প্রতিরোধের চেয়ে পরীক্ষা ও হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসার ওপর বেশি নির্ভরতা রয়েছে। শহরের বাইরে দ্রুত রোগ নির্ণয়ের সুযোগ সীমিত হওয়া এবং অনেক রোগীর গুরুতর উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর চিকিৎসা নেওয়া মৃত্যুঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। তাই দ্রুত রোগ শনাক্ত করা, সতর্কসংকেত চিহ্নিত করা এবং উপযুক্ত সহায়ক চিকিৎসা দেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, দ্রুত শ্বাস, মাড়ি বা নাক দিয়ে রক্তপাত, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা, বমি বা পায়খানায় রক্ত, অতিরিক্ত তৃষ্ণা কিংবা ঠান্ডা ও ফ্যাকাশে ত্বকের মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য ২০২৫ সালে পঞ্চম সংস্করণের জাতীয় ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে।

ডেঙ্গুকে দীর্ঘদিন শুধু ঢাকার সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য এবং সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে ঢাকার বাইরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ঢাকার বাইরে ৭৭ জনের মৃত্যু এবং ৩৭ হাজার ২৫০টি আক্রান্তের তথ্য ছিল। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের অধিকাংশ পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বছরজুড়ে এডিস নজরদারি ও প্রজননস্থল ধ্বংসের কার্যকর ব্যবস্থা নেই।

এ কারণে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের একটি বড় অংশ রাজধানীর বাইরের জেলা থেকে আসছেন। ফলে রোগীর চাপ শুধু ঢাকার মশা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ওপরও চাপ বাড়তে থাকবে।

বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন সুপারিশ এক জায়গায় আনলে ডেঙ্গু মোকাবিলায় কয়েকটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজন দেখা যায়।

প্রথমত, বছরজুড়ে এডিস মশার নজরদারি ও মানচিত্র তৈরি করতে হবে। কোথায় রোগী বাড়ছে, কোথায় লার্ভার ঘনত্ব বেশি এবং কোন প্রজননস্থল সবচেয়ে সক্রিয়, এসব তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে হবে।

দ্বিতীয়ত, কীটনাশকের কার্যকারিতা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। যে রাসায়নিকের বিরুদ্ধে মশার প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়েছে, সেটি একইভাবে ব্যবহার করে যাওয়ার বদলে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

তৃতীয়ত, ফগিংয়ের পাশাপাশি বাড়ি, নির্মাণস্থল, বেসমেন্ট, ছাদ, ড্রাম-বালতি ও অন্যান্য পানির উৎসে লার্ভা ধ্বংস এবং প্রজননস্থল অপসারণ করতে হবে।

চতুর্থত, রোগী শনাক্ত হওয়ার পর শুধু সেই ব্যক্তিকে চিকিৎসা দিলেই হবে না; তার আশপাশের এলাকায় মশার প্রজননস্থল অনুসন্ধান করে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও রোগ নজরদারি ও মশা নিয়ন্ত্রণকে একই ভৌগোলিক এলাকায় সমন্বিতভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

পঞ্চমত, চিকিৎসা ব্যবস্থায় দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ, সতর্কসংকেত চেনা, তরল ব্যবস্থাপনা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত উচ্চতর চিকিৎসাকেন্দ্রে স্থানান্তরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের চিকিৎসা নির্দেশিকাতেও প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, যথাযথ তরল ব্যবস্থাপনা এবং সময়মতো রোগী স্থানান্তরের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে ডেঙ্গু এখন আর মৌসুমি সমস্যা হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই। জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ণ, ঘনবসতি এবং অপর্যাপ্ত বর্জ্য ও পানি ব্যবস্থাপনা এডিস মশার বিস্তারের পরিবেশ তৈরি করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এসব কারণকে ডেঙ্গু বিস্তারের গুরুত্বপূর্ণ চালক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

তবে শুধু পরিবেশগত পরিবর্তনকে দায়ী করলে ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাগুলো আড়ালে থেকে যায়। মশা নিয়ন্ত্রণে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে, কিন্তু একই সঙ্গে কীটনাশক প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ছে; নিয়মিত নজরদারিতে ঘাটতি রয়েছে; অনেক প্রজননস্থলে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম পৌঁছাচ্ছে না; আর অনেক রোগী গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আসছেন।

ফলে ডেঙ্গু মোকাবিলায় এখন মূল প্রশ্ন হওয়া উচিত শুধু ‘কতবার মশার ওষুধ ছিটানো হলো’ নয়। বরং কোথায় মশা জন্মাচ্ছে, ব্যবহৃত কীটনাশক সেখানে কাজ করছে কি না, রোগী কোথা থেকে আসছে এবং আক্রান্ত হওয়ার পর কত দ্রুত কার্যকর চিকিৎসা পাচ্ছেন-এই পুরো শৃঙ্খল কতটা কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

ওয়াইএ
আরও পড়ুন