আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে কলেজ প্রশাসন। একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নবীনবরণ কর্মসূচিকে ঘিরে কলেজের প্রধান ফটক বন্ধ রাখা হয়।
নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে সকালে কলেজের মূল ফটকের সামনে অবস্থান ও সড়ক অবরোধ করে প্রতীকী নবীনবরণ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ইসলামী ছাত্রশিবির। এ সময় পুলিশ সেখানে সতর্ক অবস্থানে ছিল। সড়কে একটি ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে সমাবেশ করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।
বক্তারা কলেজ প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেন। সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান অভিযোগ করেন, নবীনবরণের অনুমতি দেওয়ার পর অনুষ্ঠানের দিন কলেজ বন্ধ করে প্রধান ফটকে তালা দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এ ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
পরে কেসি কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ঝিনাইদহ শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সেখানে ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুর রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।
এদিকে ক্যাম্পাসে হঠাৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ এবং প্রধান ফটক বন্ধের বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ড. মাসরুর উল আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে আবরার ফাহাদের পরিবার