প্রেস সচিব সালেহ শিবলী

সাংবাদিকতায় বাধা নয়, চাই কার্যকর সাইবার আইন

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৪ এএম

সামাজিক মাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা আইন থাকা জরুরি। তবে এই আইনের কোনোভাবেই যেন বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও বাকস্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত না করে, সরকারকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

একই সঙ্গে অপপ্রচারের জবাব দিতে দেশের প্রতিটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিটের নিয়মিত ‘ফ্যাক্ট চেক’ বা তথ্য যাচাইমূলক অনুষ্ঠান প্রচারের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নতুন সদস্য বরণ অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস সচিব উল্লেখ করেন, সমাজে নীতি-নৈতিকতা রক্ষা এবং গুজবের শিকার সাধারণ মানুষকে সুরক্ষায় সরকারের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সময় ও বাস্তবতার প্রয়োজনে আইনের পরিবর্তন সম্ভব হলেও, এর অপপ্রয়োগে যেন সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

একটি তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ৪১০টি, সরকারকে ঘিরে ৪৫১টি এবং বিএনপিকে কেন্দ্র করে ১১৮টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে।

তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসত্য তথ্যের দাপট বাড়লেও মূলধারার গণমাধ্যমের ওপর জনগণের আস্থা এখনো অটুট রয়েছে। পাঠকেরা তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে শেষ পর্যন্ত সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের ওপরই ভরসা করেন।

সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত আদর্শ সম্পর্কে তিনি বলেন, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সাংবাদিকের নিজস্ব রাজনৈতিক মত থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি যেন সংবাদের নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতাকে ক্ষুণ্ণ না করে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন জানান, চার শতাধিক আবেদনের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই শেষে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে যোগ্য ৪০ জন রিপোর্টারকে নতুন সদস্যপদ দেওয়া হয়েছে।

ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় এবং সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিমের স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানে সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এইচএন
আরও পড়ুন