ইয়েমেনে হুথি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াইরত বাহিনীকে আবার অর্থায়নে সম্মত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। অন্যদিকে, এসব বাহিনীকে আকাশপথে সুরক্ষা দেবে সৌদি আরব। দুই দেশের মধ্যে নতুন এক সমঝোতার বরাত দিয়ে শনিবার (১৭ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে সৌদি আরব ও আমিরাতের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল, নতুন সমঝোতা তার কিছুটা অবসানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর অগ্রগতি এবং সৌদি অবকাঠামোয় হামলার প্রেক্ষাপটে দুই দেশ আবারও সমন্বিতভাবে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
জানুয়ারিতে ইয়েমেন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল আমিরাত
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান থেকে সরে দাঁড়ায় আমিরাত। একই সঙ্গে তারা জায়ান্ট ব্রিগেডসহ হুথিবিরোধী কয়েকটি বাহিনীর অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়। এসব বাহিনীকে আগে প্রশিক্ষণ ও সামরিক সহায়তা দিয়েছিল আমিরাত।
সৌদি আরব ও আমিরাত উভয়েই ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরোধী হুথি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন বাহিনীকে সমর্থন দিয়ে আসছিল। তবে ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ, বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়।
হুথিদের অগ্রগতিতে বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ
সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় হুথিদের অগ্রগতি এবং সৌদি আরবের অবকাঠামো ও বিমানবন্দরে হামলার পর আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও সংঘাত তীব্র হয়েছে। এই প্রণালি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে এবং আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পথ।
আমিরাতের অর্থায়ন এবং সৌদি আরবের আকাশপথে সুরক্ষা দেওয়ার সমঝোতা কার্যকর হলে হুথিবিরোধী বাহিনীর সামরিক সক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে এ বিষয়ে দুই দেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
ইরান সরকারকে ‘ক্যানসার’ আখ্যা দিলেন নেতানিয়াহু, ফের হামলার ইঙ্গিত
সৌদি ছাড়তে ইচ্ছুক নাগরিকদের ব্রিটিশ দূতাবাসের বিশেষ নোটিশ