কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ ও মহাকাশ বাহিনীর সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং গোয়েন্দা সক্ষমতায় শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে বলে দাবি করেছেন বাহিনীটির উপপ্রধান মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর খোমেইনে এক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ দাবি করেন। তার ভাষ্য, হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে রয়েছে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র যত দিন চাইবে, তত দিন এ পরিস্থিতি বজায় থাকবে। ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সির বুধবারের (২১ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
মেজর জেনারেল ইজাদি বলেন, ইরানের শত্রুরা দেশটির অভ্যন্তরে বিভেদ সৃষ্টি এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে জনগণকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এসব পরিকল্পনা মোকাবিলা এবং অর্জনগুলো সুরক্ষিত রাখতে জনগণের উপস্থিতি ও সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার মতে, জাতীয় ঐক্য ও জনগণের সহযোগিতা ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বজায় রাখার অন্যতম ভিত্তি।
বক্তব্যে ইজাদি ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ১২ দিনের যুদ্ধ এবং ৪০ দিনের যুদ্ধের কথাও উল্লেখ করেন। দ্বিতীয় সংঘাতটিকে তিনি ‘রমজান যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, এসব সংঘাতে প্রতিপক্ষ তাদের সামরিক সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার করলেও ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছে। তার ভাষায়, ইরান এসব সংঘাত থেকে বিজয়ী হয়ে বেরিয়ে এসেছে।
তবে সংঘাতগুলোর সামরিক ফলাফল নিয়ে ইরানি কমান্ডারের এই বক্তব্য তার নিজস্ব মূল্যায়ন। এর স্বাধীন যাচাই বা প্রতিপক্ষের অবস্থান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
আলোচনা ও যুদ্ধ দুই ফ্রন্টেই অচলাবস্থায় রাশিয়া-ইউক্রেন
ইয়েমেনে ৪৮ ঘণ্টায় হুথিদের ১০৯ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, নিহত ৮