ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে দেশটির মানুষের মধ্যে তীব্র মতবিভেদ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন লন্ডনের কিংস কলেজের জ্যেষ্ঠ ফেলো আহরন ব্রেগম্যান। তাঁর মতে, গাদি আইজেনকট নতুন প্রধানমন্ত্রী হলে শুরুতেই যে পরিবর্তনটি দেখা যেতে পারে, তা হলো দেশের সামগ্রিক জনপরিসরের পরিবেশে পরিবর্তন।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রেগম্যান বলেন, নেতানিয়াহু ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গভীর আবেগ ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেন। তাঁর সমর্থকদের অনেকে তাঁকে ঈশ্বরের মতো মনে করেন। অন্যদিকে, তাঁর বিরোধীদের মধ্যেও অনেকেই তাঁকে তীব্রভাবে ঘৃণা করেন।
ব্রেগম্যানের ভাষায়, “তিনি অত্যন্ত বিভাজন সৃষ্টিকারী একজন ব্যক্তিত্ব। নতুন প্রধানমন্ত্রী এলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি সমাজে যে তীব্র মেরুকরণ তৈরি হয়েছে, নেতৃত্বের পরিবর্তন হলে তা প্রশমিত হতে পারে। তবে এটি ব্রেগম্যানের মূল্যায়ন; নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নিলে বাস্তবে জনপরিসরের পরিবেশ কতটা বদলাবে, তা নির্ভর করবে নতুন সরকারের নীতি, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন পক্ষের প্রতিক্রিয়ার ওপর।
ইসরায়েলের রাজনীতিতে নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের প্রভাব এবং তাঁকে ঘিরে সমর্থন ও বিরোধিতার তীব্রতা দেশটির রাজনৈতিক বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উঠে এসেছে।
'ইহুদি আধিপত্যবাদী কাঠামোতে পরিচালিত হচ্ছে ইসরায়েলের রাজনীতি'
ভোট দিতে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ, ইসরায়েলে গ্রেপ্তার ৩