বাংলাদেশের নারী ফুটবল ফের নতুন ইতিহাস গড়েছে অনূর্ধ্ব-২০ দল। জাতীয় নারী দল ‘ঋতুপর্ণারা’র পরে এবার ‘সাগরিকারা’ প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের এশিয়া অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের বাছাই পর্বে বাংলাদেশ আট গ্রুপের সেরা রানার্স আপ দলের মধ্যে তৃতীয় স্থান ধরে রেখে চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছেছে।
এটি বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য নতুন মাইলফলক, যেটা দেশটির ক্রীড়া ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৮০ সালে পুরুষ দলের এশিয়ান কাপে প্রথম অংশগ্রহণের পর নারী দলও ধাপে ধাপে এশিয়ার বড় আসরে নিজের অবস্থান গড়ে তুলছে। ২০০৫ সালের অনূর্ধ্ব-১৭ নারী দলের পর বাংলাদেশ তিনবার এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে মিয়ানমারে প্রথমবার মূল পর্বের টিকিট কাটা নারী দলের সাফল্যের পর এবার অনূর্ধ্ব-২০ দল একই কৃতিত্ব দেখিয়েছে। বাছাইপর্বে বাংলাদেশের শক্তিশালী জয়গুলোর মধ্যে ছিল লাওসকে ৩-১ গোলে এবং পূর্ব তিমুরকে ৮-০ গোলে হারানো। যদিও দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হারলেও, চীনের বিপক্ষে লেবাননের বড় ব্যবধানে হারের কারণে বাংলাদেশের মূলপর্ব নিশ্চিত হয়েছে।
এই সাফল্যে দলের কয়েকজন খেলোয়াড় বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। তৃষ্ণা রানী সর্বোচ্চ ৪ গোলসহ দলের অন্যতম শীর্ষ স্কোরার, যার মধ্যে একটি হ্যাটট্রিকও রয়েছে। মোসাম্মত সাগরিকাও তিন গোল করেছেন। ২০২৪ সাল থেকে দারুণ ফর্মে থাকা দল টানা ১২ ম্যাচ অজেয় থাকার রেকর্ড গড়েছিল।
আগামী বছর থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান কাপের মূলপর্ব, যেখানে বাংলাদেশও লড়বে।
