রানের টার্গেটে নেমেই বিপদে পাকিস্তান!

আপডেট : ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:১১ পিএম

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ২৯১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমেই বিপদে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। ইনিংসের প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১৭ রানে টপঅর্ডার ৩ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে পাকিস্তান।

তাসকিন আহমেদের শিকার হয়ে ফেরেন ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান। আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাতকে ফেরান তরুণ পেসার নাহিদ রানা।

তাসকিন আহমেদের করা ইনিংসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন পাকিস্তানের তারকা ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান। 

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে পাকিস্তানের আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাতকে ফেরান তরুণ পেসার নাহিদ রান। তার করা ওভারের পঞ্চম বলে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সাদাকাত। তার বিদায়ে ২ ওভারে ১২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান।

তিন ম্যাচের সিরিজ নিধারণী খেলায় প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৯০ রান করে বাংলাদেশ। ৩০০ বলে ২৯১ রানের র্টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১২ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে স্বাগতিকদের প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। বিনা উইকেটে দলীয় একশ রানের ঘরে পৌঁছায় স্বাগতিকরা।

দলীয় ১০৫ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (৩৬)। তবে উইকেটের আরেক পাশে সাবলীলভাবে ব্যাট চালাতে থাকেন তানজিদ তামিম।

তামিমকে সঙ্গ দিতে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তও (২৭) ফেরেন পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফের ওভারে। এরপর লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে থাকেন তানজিদ।

অবশেষে ৩৩তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা মেরেই নিজের শতকের দেখা পেলেন তানজিদ তামিম। সেঞ্চুরির জন্য তিনি খরচ করেছেন ৯৮ বল, ৭টি ছক্কা এবং ৬টি চারের মারে সাজানো ছিল তার এই দারুণ ইনিংস।

তবে সেঞ্চুরির পর নিজের ইনিংসটা লম্বা করতে পারেনি এই ওপেনার। ফেরেন ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন। 

দলীয় ২৬২ রানে ফেরেন লিটন কুমার দাস। তিনি ৫১ বলে এক চার আর এক ছক্কায় ৪১ রান করে ফেরেন। তবে পাঁচ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে যান তাওহীদ হৃদয়। তার ৪৪ বলের ৪৮ রানের ইনিংসের সুবাদে ২৯০ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।

AHA
আরও পড়ুন