আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার। যেসব কলকারখানা এই ছুটি কার্যকর করবে, তারা চাইলে পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে শ্রমিকদের দিয়ে অতিরিক্ত একদিন কাজ করিয়ে এই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-র (BGMEA) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এই নমনীয় অবস্থান নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে শিল্পমালিকরা নির্বাচনের কারণে সম্ভাব্য উৎপাদন ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পাবেন। সাধারণত নির্বাচনের সময় দীর্ঘ ছুটির কারণে শিল্পোৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিজিএমইএ তাদের আবেদনে এই বিষয়টি উল্লেখ করে ছুটিটি পরবর্তী সময়ে সমন্বয় করার প্রস্তাব দিয়েছিল, যা সরকার গ্রহণ করেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তায় ইতোমধ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন হিসেবে আগে থেকেই সাধারণ ছুটি নির্ধারিত। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় নির্বাচন উপলক্ষে দেশে টানা কয়েক দিনের ছুটি থাকছে।
শিল্পাঞ্চলগুলোতে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে এই ছুটির আমেজ শুরু হলেও কলকারখানাগুলো যেন তাদের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বজায় রাখতে পারে, সে লক্ষ্যেই ‘বিকল্প কার্যদিবসে’ কাজ করিয়ে নেওয়ার এই বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।