বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে মানুষের যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল সেটা ভোটের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেব। বিগত ১৬ বছর স্বৈরাচার শুধু নিজের স্বার্থ দেখেছে। আমরা জনগণের সমর্থন দিয়ে সরকার গঠন করতে চাই। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। দীর্ঘ ২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে পা রাখলেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন শুধুমাত্র জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের নয় বরং জাতিকে পুর্নগঠনের নির্বাচন। জনগণের হারিয়ে যাওয়া অধিকার ফিরিয়ে আনার নির্বাচন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই। এজন্য ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়কে শিল্পে রূপান্তর করতে চাই। আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।’
এর আগে বেলা পৌনে ১২টায় সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসভার মঞ্চে ওঠেন তিনি। মাঠ প্রাঙ্গণে আসতেই হাজার হাজার নেতা-কর্মী করতালি দিয়ে তাদের নেতাকে অভিবাদন জানায়। তারেক রহমান হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।
সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে জেলা স্কুল মাঠে সমবেত হতে থাকেন। নেতাকর্মীদের অনেকেরই হাতে রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ঠাকুরগাঁও এবং পঞ্চগড়ের প্রার্থীদের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড।
এ সমাবেশে ঠাকুগাঁও ও পঞ্চগড়ের দলীয় প্রার্থীরা রয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও -৩ আসনে জাহিদুর রহমান জাহিদ, পঞ্চগড়-১ আসনে নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ, পঞ্চগড়-৩ আসনে মনজুরুল ইসলাম রয়েছেন।
ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটে সৈয়দপুরে পৌঁছার পর বিএনপি চেয়ারম্যান হেলিকপ্টারে চেপে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান। এদিনই দুপর দেড়টায় নীলফামারীর বড় মাঠে এবং আড়াইটায় দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।