স্বাধীন না হয়েও বিশ্বকাপে খেলছে কিউরাসাও

বিশ্বকাপে কিউরাসাওয়ের উপস্থিতি নিজেই এক ব্যতিক্রমী গল্প। ক্যারিবীয় অঞ্চলের ছোট্ট এই দ্বীপটি পুরোপুরি স্বাধীন রাষ্ট্র নয়, তবুও জায়গা করে নিয়েছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে।
 
কিউরাসাও এখনো নেদারল্যান্ডস রাজ্যের অংশ। একই ব্যবস্থার অধীনে রয়েছে আরুবা ও সিন্ট মার্টেন। ফলে কিউরাসাওয়ের নাগরিকরা ডাচ পাসপোর্ট ব্যবহার করেন।
২০১০ সাল পর্যন্ত দ্বীপটি নেদারল্যান্ডস অ্যান্টিলিসের অংশ ছিল। এরপর নিজেদের জাতীয় দল গঠন করলেও বর্তমান কিউরাসাওকে অনেকেই সেই ঐতিহাসিক দলের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করেন। বিশ্বকাপে খেলা পুরোপুরি স্বাধীন নয় এমন অঞ্চল বা দেশের সংখ্যা হাতে গোনা। কিউরাসাও সেই বিরল তালিকারই একটি সদস্য।
এদিকে নকআউট পর্বে কিউরাসাওয়ের সামনে নেদারল্যান্ডসকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এমন সম্ভাবনায় রোমাঞ্চিত দলটির মিডফিল্ডার জুনিনহো বাকুনা। তিনি বলেন, 'যদি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলি, তাহলে আমি শতভাগ নয়, দ্বিশতভাগও নয়, হাজার ভাগ বেশি উজাড় করে দেব।'
বাকুনার ভাষায়, কিউরাসাও বিশ্বকে দেখাতে চায় যে আয়তনে ছোট হলেও তাদের স্বপ্ন, সাহস ও প্রতিভার কোনো ঘাটতি নেই। 'আমরা ছোট্ট একটি দ্বীপ হতে পারি, কিন্তু আমাদের হৃদয় অনেক বড়। আমাদের বিশ্বাস আছে, আছে প্রচুর প্রতিভা,' বলেন তিনি।
 
জার্মানির বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাওয়া কিউরাসাও তাই শুধু ফলের জন্য নয়, নিজেদের অস্তিত্ব ও পরিচয় তুলে ধরার লড়াইটাও লড়ছে বিশ্বমঞ্চে। সূত্র: বিবিসি