যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ফ্যাকাল্টি অব ওয়ার্ল্ড স্টাডিজ’-এর সহকারী অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সেতারেহ সাদেকি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে এই স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে একটি টেকসই চুক্তি ও শান্তিতে পৌঁছানোর তীব্র আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তবে একই সাথে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই শান্তি প্রক্রিয়ার বার্তাগুলো অনেক সময় বেশ পরস্পরবিরোধী মনে হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সেতারেহ সাদেকি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে দুই পক্ষই (আমেরিকা ও ইরান) একই সাথে বলছে যে তারা চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে, আবার একই সাথে বলছে যে তারা এখনো অনেক দূরে অবস্থান করছে। এর পাশাপাশি সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিকল্প পথও এখনো আলোচনার টেবিলে বহাল রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষক সাদেকি মনে করেন, এই মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ও চ্যালেঞ্জ হলো—তিনি ইসরায়েলের নিজস্ব স্বার্থকে উপেক্ষা বা অমান্য করে এই শান্তি চুক্তিটিকে সফলভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন কিনা। কারণ, ইসরায়েল যেকোনো মূল্যেই হোক ইরানের সাথে হওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্ভাব্য চুক্তিটিকে পুরোপুরি নসাৎ করতে চাইবে। সূত্র: আল জাজিরা