ইরানের বিরুদ্ধে এবার আরও বড় পরিসরে সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, সম্ভাব্য এই হামলা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র চেয়েও শক্তিশালী হতে পারে।
তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কাছাকাছি থাকলেও বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে স্পষ্ট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, এমন কোনো চূড়ান্ত সামরিক পদক্ষেপের প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে।
এদিকে মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, নতুন কোনো হামলার আদেশ এখনও সামরিক বাহিনীকে দেওয়া হয়নি। বর্তমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ইতোমধ্যে ১০০ ডলার ছড়িয়ে গেছে।
ট্রাম্পের দাবি, তিনি আহ্বান জানালে ইসরায়েল অবিলম্বে এই হামলায় যোগ দেবে। তবে এই অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অন্য কোনো দেশের সমর্থনের প্রয়োজন নেই বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
ইসরায়েল এ যুদ্ধে জড়াল পরবর্তীতে ইরান থেকে পাল্টা জবাব আসতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন প্রেসিডেন্ট। তিনি মনে করেন, আলোচনার কথা বললেও ইরানিরা চুক্তি করার জন্য এখনো পর্যাপ্ত মূল্য মেটায়নি।
আঞ্চলিক সূত্রগুলোর মতে, মধ্যস্থতাকারীদের সর্বশেষ প্রস্তাবও এখন পর্যন্ত গ্রহণ করেনি ইরানি নেতৃত্ব। অন্যদিকে মার্কিন হামলার মুখেও ইরান নিজেদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন আনেনি, বরং প্রতিরোধ জোরদার করেছে।
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজে হামলা চালানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ফলশ্রুতিতে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, হুতিদের যেকোনো হামলার সরাসরি দায় ইরানকেই নিতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, হুতি ও ইরান উভয়কেই কঠোর সামরিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে।
তথ্যসূত্র: অ্যাক্সিওস (Axios) ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের অফিসিয়াল ট্রুথ সোশ্যাল বার্তা।