ইয়েমেনে হুথি ও সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর মধ্যে লড়াই হওয়ার হয়েছে। ইয়েমেনে সৌদির অব্যাহত আগ্রাসনের জবাবে হুথিরা রিয়াদ ও খুরাইশ এলাকার রাষ্ট্রীয় তেল স্থাপনায় ক্ষেপনাস্ত্র ও ড্রোন হামলার চালিয়েছে। এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত রোববার (৪ অক্টোবর) হামলার দায় স্বীকার করে টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতি দিয়েছেন হুথি মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি।
টেলিগ্রামে দেওয়া বিবৃতিতে হুথি মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অব্যাহত আগ্রাসনের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। সারি অভিযোগ করেছেন, সৌদি আরব তাদের ওপর অন্যায়ভাবে আক্রমণ চালিয়েই যাচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, গত ১২ ঘণ্টায় রাজধানী সানা সহ আল-জাওফ, তাইজ, আমরান, হাজ্জাহ এবং সা'দাহ এলাকায় তারা ৫০টির মতো বিমান ও মিসাইল হামলা করেছে।
তিনি আরো দাবি করেন, সাম্প্রতিক এই উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরব সব মিলিয়ে তাদের ওপর ১হাজার ৪শ ৬০ বারেরও বেশি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। হুথি মুখপাত্র সারি আরো জানিয়েছেন, তাদের বাহিনী সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে দুইবার সামরিক আক্রমণ চালিয়েছে। এই হামলায় তারা শক্তিশালী ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করেছে।
সারি আরো দাবি করেছেন, তারা সৌদি আরবের আরামকো তেল কোম্পানিকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের দুটি সামরিক হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে প্রথম হামলাটি রিয়াদে অবস্থিত আরামকোর স্থাপনায় এবং দ্বিতীয়টি খুরাইশ এলাকার আরামকো স্থাপনায়। এই দুটি অভিযানেই তারা বেশ কিছু শক্তিশালী মিসাইল ও ড্রোন ব্যবহার করেছে। হামলাগুলো ‘নির্ভুল ও সরাসরি’ স্থাপনায় আঘাত হেনেছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে সৌদি আরবের গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুরকি আল মালিকি জানিয়েছেন, রিয়াদ ও খুরাইশে হামলার বিষয়ে হুথিদের দাবি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।