দ. আফ্রিকায় সোনার খনিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬০

দক্ষিণ আফ্রিকার একটি পরিত্যাক্ত সোনার খনিতে নিহত শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে ৬০ জন হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি ৮২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। খবর রয়টার্স।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) পুলিশের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত আগস্টে খনিটি ঘেরাও করে খাদ্য ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয় পুলিশ। গ্রেফতারের জন্য শ্রমিকদের বেরিয়ে আসতে বাধ্য করা ছিল তাদের উদ্দেশ্য। অবৈধভাবে খনিতে কাজ করার বিরুদ্ধে একটি কঠোর অভিযানের অংশ ছিল এটি।

পুলিশ জানিয়েছে,  জীবিতদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মাইনিং ও অভিবাসনের জন্য মামলা দায়ের করা হবে।

খনিশ্রমিকদের অধিকার রক্ষাকারী একটি সংগঠনের মতে, খনির গভীরে এখনও কয়েকশ মৃত ও জীবিত শ্রমিক আটকা পড়ে আছেন। 

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, খনির ভেতরে অনেকের মরদেহ পড়ে আছে। আর খাবার পানির অভাবে কোনও রকম টিকে আছেন অনেকে।

খনির প্রায় দু কিলোমিটার গভীরে আছেন শ্রমিকরা। তাদের উদ্ধারে লোহার খাঁচা ব্যবহার করা হয়। উদ্ধারকাজ আরও কিছুদিন চলবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের দাবি, অবৈধ খনন রোধে স্টিলফন্টেইনের খনিতে অভিযান চালানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। 

দেশটির খনি বিষয়ক মন্ত্রী গোয়েডে মানটাশে জানিয়েছেন, কেবল গত এক বছরেই অবৈধ খনন কাজের মাধ্যমে প্রাপ্ত মূল্যবান ধাতুর আর্থিক মূল্য ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার।