মেধাশূন্য করতেই বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা করেছে ইসরায়েল: আরাঘচি

ইরানের শিক্ষা ও একাডেমিক কেন্দ্রগুলোতে সাম্প্রতিক হামলাকে তীব্র ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আঘাত মূলত ‘হতাশার বহিঃপ্রকাশ’, যা ইরানের বৈজ্ঞানিক অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না।

সোমবার (৩০ মার্চ) নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, ইরানের বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা একটি পরিকল্পিত কৌশলের অংশ। তার ভাষায়, জ্ঞানকে কখনো বোমা মেরে থামানো যায় না; বরং এমন হামলা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অন্বেষণের আকাঙ্ক্ষা আরও বাড়িয়ে তুলবে।

চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের এক মাস পূর্তির প্রেক্ষাপটে আরাঘচি অভিযোগ করেন, দেশের মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তিক অবকাঠামো ধ্বংস করতেই ধারাবাহিকভাবে এসব হামলা চালানো হচ্ছে। অতীতে ইরানি বিজ্ঞানীদের হত্যা ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ঘটনাগুলোর সঙ্গে এর মিল টেনে তিনি বলেন, বর্তমান আক্রমণ সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।

এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনিকে হত্যার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোট বড় পরিসরের সামরিক অভিযান শুরু করেছে বলে দাবি তেহরানের। গত এক মাসে সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালের মতো অসামরিক স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে, যাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

এর বিপরীতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। অধিকৃত অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে, বেসামরিক স্থাপনায় প্রতিটি হামলার জন্য আক্রমণকারীদের ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।