ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি করলে ইসরায়েল কি তা মানবে

আপডেট : ১৭ মে ২০২৬, ০৯:২২ এএম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা বা চুক্তির ক্ষেত্রে একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসরায়েলের ভূমিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ শেষ করার নমনীয় মনোভাবের বিপরীতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অনড় অবস্থান দুই দেশের মধ্যে এক ধরনের নীতিগত দূরত্ব তৈরি করছে।

সম্প্রতি সিবিএস নিউজকে (CBS News) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু সাফ জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘এখনো শেষ হয়নি’। তেহরানের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং ইউরেনিয়াম মজুত পুরোপুরি ধ্বংস করতে আরও কাজ বাকি আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে, ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধের জন্য দেশের ভেতরে এবং বাইরে তীব্র চাপে রয়েছেন। ইরান ইস্যুতে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি নেতানিয়াহুর চেয়ে অনেকটাই নমনীয়। ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না— এমন প্রশ্নে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, জনসংযোগ (PR) ছাড়া আমি এটাকে প্রয়োজনীয় মনে করি না। এমনকি সম্প্রতি ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ট্রাম্প এখন আর নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো পরামর্শই করছেন না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে চিরতরে দমনে নেতানিয়াহুর যে আজীবন মানসিকতা, তার সামনে ট্রাম্পের এই নমনীয় অবস্থান বড় বাধা। ফলে ট্রাম্প যদি ইরানের সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি বা চুক্তি নিশ্চিত করতেও পারেন, তবে নেতানিয়াহুকে তা মানতে বাধ্য করা ট্রাম্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

SN
আরও পড়ুন