রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে মুনসুর খান প্লাজার আগুন ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে সরু গলি, ভবনের পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি এবং জট পাকানো বৈদ্যুতিক ও ওয়াইফাই তারের কারণে আগুনের উৎসে পানি পৌঁছাতে বেগ পেতে হয় ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকার সড়ক সরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতে বেশ বেগ পেতে হয়। ভবনটির পাশেই অন্য ভবন থাকায় আগুনের শিখা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া আশপাশের বৈদ্যুতিক ও ওয়াইফাই তার জট পাকিয়ে থাকায় আগুনের উৎসে পানি পৌঁছাতেও দেরি হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় ছিল।
তারা আরো জানান, আগুন লাগার পর আশপাশের সব মার্কেট বন্ধ করে দেয়া হয়। ভবনটিতে কর্মরত কয়েকজন পাশের ভবনের ছাদে আশ্রয় নেন। পরে তাদের উদ্ধার করা হয়।
মার্কেটের এক কর্মচারী জানান, সেখানে চায়ের দোকান রয়েছে, যেখানে কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরা চা পান এবং ধূমপান করেন। ওই দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মার্কেটটিতে মূলত ব্যাগ ও ছাতার বেচাকেনা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ আগুনের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ১০টি ইউনিট কাজ করেছে। ভবনের ভেতরে আগুনের তীব্রতা কম থাকলেও প্রচুর ধোঁয়া ছিল। সরু রাস্তার কারণে আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত ভবনের ভেতরে কেউ আটকে থাকার খবর পাওয়া যায়নি।