বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।
ভুল পথ ছেড়ে যারা আলোর পথে ফিরতে চান, সরকার তাদের স্বাভাবিক জীবনে পুনর্বাসনের জন্য আইনি ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
রোববার সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি-১২) কার্যালয়ে পাবনা, রাজবাড়ী ও সিরাজগঞ্জের ৬৫ চরমপন্থী সদস্যের আত্মসংবরণ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিরা পূর্বে নিষিদ্ধঘোষিত 'পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি', 'পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি' এবং 'নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি'র সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আত্মসমর্পণকারীদের আইনি প্রক্রিয়া ও মামলা পর্যালোচনার মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে হত্যা, অস্ত্র ও ডাকাতির মতো গুরুত অপরাধের নিয়মিত মামলা আইন অনুযায়ী চলমান থাকবে।
দীর্ঘ ১৫ বছরের অন্ধকারের জীবন ছেড়ে স্বাভাবিক ও সুন্দর সামাজিক জীবনে ফিরে আসতে পেরে উগ্রবাদী পথ ত্যাগকারী সদস্যরা সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে ১৯৯৮, ২০১৯ এবং ২০২৩ সালের ধারাবাহিকতায় এবারও বিপুল সংখ্যক সদস্য অস্ত্র ত্যাগ করে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন।