সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড

দুই মাসের মধ্যে মুক্তি পাব বলে পরিবারকে জানিয়েছিলেন সুইটি

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম

সুইটি আক্তার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তের ১৫ দিন আগে ফোনে দুই মাসের মধ্যে মুক্তি পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তার পবিবার। ধার-দেনা করে দালালের মাধ্যমে সৌদি আরব গিয়েছিলেন তিনি। প্রথম পাঁচ মাস বাড়িতে টাকা পাঠালেও পরবর্তীতে এক সহকর্মীর সাথে কলহের জেরে তাকে কারাবন্দি হতে হয় বলে পরিবারকে জানিয়েছিলেন সুইটি।

সুইটির বাবা ফজল মিয়া বলেন, সুইটি কারাবন্দি হওয়ার পর দীর্ঘ এক বছর কোনো খোঁজ ছিল না। পরবর্তীতে প্রতি মাসেই জেলখানা থেকে পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলতেন তিনি। তবে কোনো সময়ই নিজের বিচার বা সাজার বিষয়ে কিছু জানাননি। এমনকি গত ১৫ দিন আগেও ফোন করে আগামী দুই মাসের মধ্যে মুক্তি পাওয়ার আশার কথা জানিয়েছিলেন সুইটি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুইটির মা জহুরা বেগম বলেন, ‘আমার চার বছরের একটি নাতনি রয়েছে। সরকারের কাছে শুধু জানতে চাই আমার মেয়ের আসলে কী হয়েছে। সে জীবিত নাকি মৃত-যে অবস্থায়ই থাকুক, আমি আমার মেয়েকে ফেরত চাই।’

সুইটির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে অবগত থাকলেও তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি জানান, সুইটির বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারি বা দাপ্তরিক কোনো পর্যায় থেকে তাদের কাছে তথ্য পৌঁছায়নি।

এএইচএ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত