বাগেরহাট শহরের পুরাতন বাজার এলাকার পলি ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে পিত্তথলিতে পাথর অপারেশনের পর নাসিমা আক্তার (২০) নামে এক তরুণীর মৃত্যু অভিযোগ উঠেছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণেই অপারেশন চলাকালে তার মৃত্যু হয়েছে।
তবে ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী ও চিকিৎসক সুনীল কুমার দাস এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, নাসিমা হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন।
নিহত নাসিমা আক্তার বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বারোদাঁড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং সমান হাওলাদারের স্ত্রী। তার ৭ মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে পিত্তথলিতে পাথর থাকায় নাসিমা আক্তারকে বাগেরহাট শহরের পুরাতন বাজার এলাকার পলি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তার অপারেশন শুরু হয়। রাত প্রায় ৪টার দিকে অপারেশনের পর মৃত্যু হয়।
পরিবারের অভিযোগ, রোগীর মৃত্যুর বিষয়টি তাদের তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। ফজরের নামাজের পর বহিরাগত দুই ব্যক্তির মাধ্যমে তাদের জানানো হয় যে, তাদের রোগী মারা গেছেন। এঘটনায় স্বজনদের কান্নায় ক্লিনিক এলাকা ভারি হয়ে ওঠে।
নিহতের স্বামী সুমনের অভিযোগ করে বলেন, ‘মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আড়াল করে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনকি তাদের ৫০ হাজার টাকা দেয়ার প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে। আমার স্ত্রীর মৃত্যুর কারণ জানতে চাই এবং ডাক্তারের বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে চিকিৎসক ও পলি ক্লিনিকের মালিক সুনীল কুমার দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘অপারেশন থিয়েটারেই হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে। তবে আমাদের কোনো দায়িত্বে কোনো ঘাটতি ছিল না।’
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. আসম মাহাবুবুল আলম বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল আরেফিন বলেন, ‘পুলিশ ক্লিনিক পরিদর্শন করেছে। নিহতের ওই পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। পরে শুনেছি, তারা মরদেহ নিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।’
কুষ্টিয়ায় ‘জয় বাংলা, স্লোগান দিয়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন
টুঙ্গিপাড়ায় গৃহহীনদের ঘরে ঝুলছে তালা, আগাছায় ঢেকেছে আঙিনা