পরীক্ষায় নম্বর পেতে শুধু পড়াশুনা জানলেই হবে না, সঙ্গে জানা থাকতে হবে সাঁতার। ভীন্নধর্মী এমন উদ্যোগ গ্রহণে প্রশংসায় ভাসছে খুলনা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।
রেজাউল সুইমিং একাডেমিতে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা সাঁতার কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। দুধারে অপেক্ষা করছেন অভিভাবকরা। তদারকি করছেন প্রশিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ।

শিক্ষকরা জানায়, আমাদের স্কুলের নিয়মনুযায়ী শ্রেণি অনুযায়ী সাঁতারের দৈর্ঘ নির্ধারণ করা হবে। নির্ধারিত পরীক্ষার দিনে প্রাক্টিকালি দক্ষতানুযায়ী নম্বর দেয়া হবে। মোট নির্ধারিত নম্বর দশ।
কলেজ কতৃপক্ষ জানায়, খুলনা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ৫ম শ্রেনীর ছাত্র আজিমুর রহমান তাজিম। মাসুদুর রহমানের ছোট ছেলে তাজিম দাদার বাড়ি গোপালগঞ্জের মকসুদপুরে পুকুরে নৌকায় চড়বে বলে বাবার কাছ থেকে অনুমতি নেয়। বাবা তাকে বড় ভাইকে সাথে নিয়ে যেতে বলে যেহেতু তাজিম সাতার জানতো না। তাজিম কাউকে না নিয়ে একা একা নৌকায় চড়তে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ হারায়। ঘটনাটি মর্মাহত করে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মোহাম্মদ শামীমুল আহসান শামীমকে। এরপরই সাতার শিখতে তিনি ভিন্নধর্মী এ উদ্যোগ নেন।

অধ্যাক্ষ লে. কর্নেল মোহাম্মদ শামীমুল আহসান শামীম জানান, ভিন্নধর্মী এ উদ্যোগে প্রায় সত্তর শতাংশ শিক্ষার্থী সাতার শিখেছে। আশা করি ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে শতভাগ শিক্ষার্থী সাতার শিখে যাবে।
