শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহত, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ক্যাম্পাস

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৭ এএম

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভিসি চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা যোগ দেন বিক্ষোভ মিছিলে। মিছিলটি বিভিন্ন হল ও সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসিতে শেষ হয়।

বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে ডাকসু নেতারা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে পরাজয় আঁচ করতে পেরে দেশব্যাপী সহিংসতা করে যাচ্ছে। নারীদের ওপর হামলা আর খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। এ সময় নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে রেজাউল হত্যায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানানোর পাশাপাশি বিএনপিকে সন্ত্রাসী, খুনি ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানান।

এর আগে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান শেরপুরের ঘটনা নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি সমর্থকরা বিলম্বে এসে চেয়ারে বসা নিয়ে বাক বিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর বিএনপি সন্ত্রাসীরা হামলা করে।’

পোস্টে জামায়াত আমির যোগ করেন, ‘এ ঘটনায় ৫০-এর অধিক জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক আহত হন। ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আজ রাত ৯টা ২০ মিনিটে রেজাউল করিম শাহাদাতবরণ করেন। আল্লাহ তায়ালা তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দিয়ে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।’

এই ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে জামায়াত আমির লিখেছেন, ‘এ ব্যাপারে এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর ভূমিকা জনগণ দেখতে চায়। তারা কেমন নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়। আর যারা এই খুনের নেশায় মত্ত হয়েছে, এদেরকে পাকড়াও করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া দরকার। আমরা চাই দ্রুত এদেরকে পাকড়াও করা হোক। কোন ধরনের গড়িমসি জাতি বরদাশত করবে না।’

HN
আরও পড়ুন