জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজ ক্লাবের ২০২৬-২৭ সেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থী কে. এম. সাদমান জাহাঙ্গীর ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একই ব্যাচের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মনোয়ার হোসাইন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ক্লাবের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। ক্লাবটির কার্যকরী কমিটি পুরুষ ও নারী দুটি বিভাগে গঠন করা হয়েছে ।
পুরুষ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মো. কামরুজ্জামান নূর, কোষাধ্যক্ষ এ. কে. আনিক, দপ্তর সম্পাদক নাদিম মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক আফজাল হোসাইন, প্রকাশনা সম্পাদক মাহাথির মোহাম্মদ, শিক্ষা সম্পাদক মোহাম্মদ মাহদি, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আদনান ফাহাদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফয়সাল আহমাদ এবং আইটি ও মিডিয়া সম্পাদক আবদুর রহিম দায়িত্ব পালন করবেন। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন আরও ১২ জন।
নারী বিভাগের প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন মারিয়াম জামিলা মিস্টি। সহ-প্রধান ফারিহা তাবাসসুম মাওয়া ও কাজী নাহিদা আক্তার প্রমা। সাংগঠনিক সম্পাদক লিলাতুল কাবা, কোষাধ্যক্ষ দিল আফরোজ, দপ্তর সম্পাদক আরওয়া রহমান মিশা, প্রচার সম্পাদক লামিসা রওনাক, প্রকাশনা সম্পাদক আমেনা আক্তার, শিক্ষা সম্পাদক নুসরাত জাহান মিম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইসরাত জাহান মিম এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক তানহা দায়িত্ব পালন করবেন। এ বিভাগেও কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ১০ জন।
কমিটির সভাপতি কে. এম. সাদমান জাহাঙ্গীর বলেন, প্রতিবছর রমাদান মাসে ক্লাবের পক্ষ থেকে কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতায় এবারও ষষ্ঠবারের মতো প্রতিযোগিতার প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ রমাদান। শিক্ষার্থীদের কুরআন বুঝে পড়তে এবং সেই শিক্ষা নিজের জীবনে বাস্তবায়নে উদ্বুদ্ধ করাই আমাদের এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
তিনি আরো বলেন, বছরব্যাপী কুরআনের শিক্ষা প্রসারে শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত শেখানোর কোর্স ক্লাবের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ক্লাবটির উদ্দেশ্য শুধু কুরআনের শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রতিফলন নয়, বরং আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের উন্নয়ন ঘটানো। ক্লাবটি কুরআন ও সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করবে, গবেষণা করবে এবং আত্মোন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। আমরা চাই ক্লাবটি হোক একটি সেতু, যা আমাদের মাঝে একতা, শান্তি ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক স্থাপন করবে।

