সালমানের সঙ্গে কাজ করলেই মরতে হবে, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম

বলিউড তারকা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনার পর নতুন করে হুমকি দিয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে হামলার দায় স্বীকার করেছে গ্যাংটির সদস্য পরিচয় দেওয়া দুই ব্যক্তি অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু। তবে পোস্টটির সত্যতা এখনো যাচাই করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রোববার মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনার পর ওই পোস্ট দেওয়া হয়। এতে দাবি করা হয়, ঘটনার আগে টাইগারকে ফোন করে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দেননি বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেন ওই দুই ব্যক্তি।

পোস্টে হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যদেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়, যারা তাঁদের কথা না মেনে সালমান খানের সঙ্গে কাজ করবেন, তাঁদের মরতে হবে। টাইগার শ্রফের মতো পরিণতি সবারই হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

পাশাপাশি, ঘটনার দায় নিজেদের বলে দাবি করতে পারে এমন প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাংগুলোকেও সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে, হামলার পেছনে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা এবং ঘটনার ধারাবাহিকতা খতিয়ে দেখতে ১২টি বিশেষ দল মোতায়েন করা হয়েছে। এরই মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

কারাগারে থাকা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে সালমান খানের বিরোধের সূত্রপাত ১৯৯৮ সালে রাজস্থানে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনা থেকে। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে এই হরিণ পবিত্র বলে বিবেচিত। এ ঘটনায় সালমানকে ক্ষমা চাইতে বলে ২০১৮ সালে প্রকাশ্যে তাঁকে হত্যার হুমকি দেন লরেন্স বিষ্ণোই।

২০২৪ সালে সালমানের ঘনিষ্ঠজনদের লক্ষ্য করে একাধিক হামলার ঘটনায় সেই বিরোধ আরও আলোচনায় আসে। ওই বছরের অক্টোবরে রাজনীতিবিদ বাবা সিদ্দিকিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই বছর মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সালমানের বাসভবন লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়।

এরপর বলিউডের অন্য ব্যক্তিদেরও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে। সালমানের সঙ্গে ব্যক্তিগত বা পেশাগত সম্পর্ক রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের কাছে চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।

এএম
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত