স্পিকার নির্বাচনে বিরোধী দলের নীরবতা

আপডেট : ১২ মার্চ ২০২৬, ০১:৫২ পিএম

এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক আবহে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) এবং ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তবে এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের 'নীরবতা' সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন সম্পন্ন হয়। সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা জোরালোভাবে ‘হ্যাঁ’ বলে প্রস্তাবটি সমর্থন করলেও বিরোধী বেঞ্চ থেকে কোনো শব্দ শোনা যায়নি। জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যরা ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ কোনো পক্ষেই নিজেদের অবস্থান জানান দেননি। ভোটাভুটির সময় তাদের এই নীরবতাকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্পিকার হিসেবে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম। এই পদে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সর্বসম্মতভাবে নির্বাচিত হন।

বিগত সংসদের স্পিকার পলাতক এবং ডেপুটি স্পিকার কারাগারে থাকায় এক বিশেষ পরিস্থিতিতে আজ সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। সংসদ নেতার প্রস্তাবে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরুর পর এই নির্বাচন সম্পন্ন হয়। বিএনপি এই পদের জন্য ড. আব্দুল মঈন খান বা আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নাম আলোচনায় রাখলেও শেষ পর্যন্ত হাফিজ উদ্দিন আহমেদকেই চূড়ান্ত করা হয়।

নির্বাচন শেষে নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে রাষ্ট্রপতি শপথবাক্য পাঠ করান এবং এরপর তারা সংসদের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

NB
আরও পড়ুন