অবৈধ মজুতকৃত পৌনে ৪ লাখ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০১ পিএম

সারাদেশে অভিযান চালিয়ে গত ৩ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত অবৈধ মজুতকৃত ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশে বছরে ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। অকটেন এবং পেট্রোল মাসে দরকার হয় ৭০ হাজার মেট্রিক টন। পেট্রল এবং অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কোনো সংকট নেই। কোনো সংকট নেই ডিজেলের ক্ষেত্রেও। এপ্রিল মাস পুরোপুরি নিরাপদ আছি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘প্যানিক বায়িং’ বা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা এখনও বন্ধ হয়নি। অনেকের মধ্যে তেল মজুতের একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যার প্রভাব পেট্রোল পাম্পগুলোতে পড়ছে।

ইরান থেকে ছেড়ে আসা তেলের জাহাজের বিষয়ে তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসা ৬টি জাহাজের মধ্যে একটিতে অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) রয়েছে। জাহাজটি পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে তেল পরিশোধনে কোনো সমস্যা হবে না। এছাড়া রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো ‘স্যাংশন ওয়েভার’ বা নিষেধাজ্ঞার ছাড়পত্রের চিঠির জবাব এখনো পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সরকার জনস্বার্থ বিবেচনায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের উচিত এই সময়ে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া। এছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ করা হবে বলেও তিনি জানান।

YA/SN
আরও পড়ুন