কুয়েত প্রবাসীদের মরদেহ দেশে পাঠাতে চাঁদা তোলা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাস

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩০ পিএম

কুয়েতে মারা যাওয়া আকামাবিহীন প্রবাসীদের মরদেহ দেশে পাঠানোর নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদা বা অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এ ধরনের আহ্বানে বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসীদের এ বিষয়ে সতর্ক করে দূতাবাস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুয়েতে আকামাবিহীন কোনো প্রবাসী কর্মীর মৃত্যু হলে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর কথা বলে চাঁদা বা অর্থ সংগ্রহে মানুষকে উৎসাহিত করছে।

দূতাবাস জানায়, কুয়েতের শ্রম আইন অনুযায়ী ‘১৮ নম্বর ভিসায়’ কর্মরত কোনো প্রবাসী মারা গেলে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর খরচ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হয়। আর ‘২০ নম্বর ভিসায়’ গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত অবস্থায় কারও মৃত্যু হলে ওই খরচ বহন করবেন সংশ্লিষ্ট কফিল বা নিয়োগকর্তা।

কোনো কর্মীর কফিল না থাকলে কিংবা আকামাবিহীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে বাংলাদেশ দূতাবাস নিজস্ব আর্থিক সহায়তায় মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে থাকে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিদ্যমান আইন ও নিয়মের কথা তুলে ধরে দূতাবাস বলেছে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে এ ধরনের অর্থ সংগ্রহের কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া থেকে প্রবাসীদের বিরত থাকতে হবে।

কুয়েতে কোনো আকামাবিহীন প্রবাসীর মৃত্যু হলে পরিবার, স্বজন বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের চাঁদা সংগ্রহ না করে সরাসরি বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত আবেদন করার অনুরোধ জানিয়েছে দূতাবাস।

এমইউ
আরও পড়ুন