কে কত টাকা সরিয়েছে তা প্রকাশিত হবে: মির্জা ফখরুল

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২২, ০৪:১২ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যক্তিগত পর্যায়ে আক্রমণ করলে সামাল দিতে পারবেন না। কার কোথায় কত বাড়িঘর আছে। কত টাকা সরিয়েছেন। কীভাবে সরিয়েছেন। কীভাবে নিয়ে গেছেন। সব এই দেশের মানুষ জানে এবং তা প্রকাশিত হবে।

আজ রোববার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।

গতকাল শনিবার ওবায়দুল কাদের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশে করে বলেছিলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল টাকার বস্তার ওপর শুয়ে আছেন। ফখরুল এখন চাঙা হয়ে গেছেন। টাকা পাচ্ছেন তো। টাকারে টাকা! আরব আমিরাতের টাকা, দুবাইয়ের টাকা। এই তো এল টাকা। ফখরুল মহাখুশি।

ওমির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নিজের উপার্জনের টাকা পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে রাজনীতি করি। দ্যট ইজ ভেরি আনফরচুনেট। আমরা এমনটা আশা করি না যে এত বড় রাজনৈতিক দলের একজন সাধারণ সম্পাদক তার মুখ থেকে এ ধরনের অশালীন বক্তব্য আসবে। তিনি সব রাজনৈতিক শিষ্টাচারে বহির্ভুত কথা বলে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছেন। আমি ওবায়দুল কাদেরকে এটুকু বলতে চাই অযথা বেশি ঘাটাবেন না। ঘাটাতে গেলে কেঁচো বের হয়ে আসবে। আপনারা কী করেন, না করেন, গোটা বাংলাদেশের মানুষ জানে। কীভাবে অর্থ উপার্জন করেন সবাই জানে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে রাজনীতি করি। আমরা কারও পয়সায় রাজনীতি করি না। আমাদের দলের নেতা–কর্মীরা চাঁদা দিয়ে প্রতিটি সমাবেশ করছে। এটাই হচ্ছে আমাদের বৈশিষ্ট্য। আমরা কারও কাছ থেকে টাকাপয়সা নিয়ে রাজনীতি করি না। আপনারা কী করেন, এটা বাংলাদেশ সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে সবাই জানে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা কে কোথায় হাজার হাজার কোটি টাকার বাড়ি করছেন। কে কোথায় ব্যাংকের লোন নিয়ে পাচার করে দিচ্ছেন। আপনারা কানাডাতে বেগমপাড়া, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম করলেন সব খবর রাখি। কে কয়টা ব্যাংকের মালিক হলেন, কারা আমেরিকাতে কতগুলো বাড়ি করেছেন, আর দেশের মানুষের ৪৩ কোটি টাকা দিয়ে সচিবদের জন্য বাড়ি করছেন। এগুলো মানুষের টাকা। এগুলো মানুষের করের টাকা। আপনাদের চেহারার দিকে তাকানো যায় না।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কত লোক হয়েছে, তা দেখতে মির্জা ফখরুলকে আহ্বান জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা সরকারি গাড়ি–ঘোড়ার সঙ্গে টাকা ব্যবহার করে যে লোকজন নিয়ে এলেন বিশাল নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে, সরকারি জায়গার মধ্যে, সেখানে চেয়ার পর্যন্ত পূরণ করতে পারেননি। ২২ হাজার চেয়ার যদি পূর্ণ না হয়, তাহলে কত লোক হয়েছে, আপনারা জানান।

AHR
আরও পড়ুন