ভারতের ঝাড়খন্ডের গোড্ডায় নির্মিত আদানি গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কারিগরি এবং রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটির কারণে এটি বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
এর পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে গ্যাসের অভাবে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। এসব কারণে দেশে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। আর ঝড়ে ভাসমান একটি এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্যাসেরও সংকট বেড়েছে।
ঢাকার পরিস্থিতি তুলনামূলক কিছুটা ভালো থাকলেও ঢাকার বাইরে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের লোডশেডিং অনেকগুন বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাতে চুলায় গ্যাস না থাকার পাশাপাশি কমেছে চাপ। অন্যদিকে গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বাড়ছে ব্যয়।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) খন্দকার মোকাম্মেল হোসেন শনিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেছেন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং কারিগরি সংকটের কারণে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আবার সাগরে এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও চাহিদা মতো গ্যাসের অভাবে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো চালানো যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে উচ্চমূল্যের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এরপরও কিছু লোডশেডিং করতে হচ্ছে। আবহাওয়া ঠাণ্ডা হওয়ায় এখন পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূলে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
