সমর্থকদের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইলেন হান্নান মাসউদ

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৮ এএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও দলটির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে সমর্থকদের কাছে আর্থিক সহায়তা আহ্বান জানিয়েছেন। 

বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আবেদন জানান।

পোস্টে হান্নান মাসউদ লেখেন, ‘আমি এমন একটি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি যেখানে ক্ষমতার চেয়ে মানুষ বড়, স্বার্থের চেয়ে সততা বড় এবং প্রভাবের চেয়ে ইনসাফ বড়। উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তা, ভবন বা অবকাঠামো নয়— উন্নয়ন মানে এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা। যেখানে ন্যায়বিচার থাকবে, বৈষম্য থাকবে না এবং জনপ্রতিনিধি সর্বদা জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকবে।’

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি শুরু থেকেই একটি বিষয় পরিষ্কার রাখতে চেয়েছি— আমার রাজনীতি কোনো ব্যক্তি, কোনো ব্যবসায়ী কিংবা কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠীর অর্থে পরিচালিত হবে না। কারণ বড় অঙ্কের অর্থ প্রায়ই বড় শর্ত নিয়ে আসে, যা ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করে ফেলে। আমি চাই না হাতিয়ার মানুষের অধিকার কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে আপসের শিকার হোক, কিংবা একজন জনপ্রতিনিধির ওপর কোনো অদৃশ্য ঋণের চাপ থাকুক। যার অর্থে রাজনীতি চলে, শেষ পর্যন্ত রাজনীতি তার কথাই শোনে— আমি চাই আমার রাজনীতি শুনুক কেবল হাতিয়ার সাধারণ মানুষের কথা।’

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘এই কারণেই আমি আপনাদের কাছ থেকেই সমর্থন ও সহযোগিতা চাইছি। আপনাদের ছোট ছোট অবদান শুধু একটি নির্বাচনী প্রচারণার খরচ নয়, এটি একটি নৈতিক অবস্থান, একটি বার্তা— যে হাতিয়ার মানুষ নিজের প্রতিনিধি নিজেই গড়ে তুলতে চায়। এই অংশগ্রহণ আমাকে ভবিষ্যতে আপনাদের কাছে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানোর নৈতিক অধিকার দেবে, আর সেটাকেই আমি একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি মনে করি।’

কাজের মাধ্যমে প্রমাণ দিতে চান উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আপনারা যে আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে আমার পাশে দাঁড়াবেন, তার জবাব আমি দেব কাজ দিয়ে, কথার ফুলঝুরি দিয়ে নয়। হাতিয়ায় ইনসাফভিত্তিক, স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন উন্নয়নের যে স্বপ্ন আমি দেখছি, তা বাস্তবায়ন সম্ভব কেবল আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণেই। আসুন আমরা একসাথে প্রমাণ করি— সৎ রাজনীতি এখনো সম্ভব, আর তা সম্ভব জনগণের শক্তিতেই।’

AHA
আরও পড়ুন